বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুমকিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক মুডগালের আবাদ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

০ টি মন্তব্য 6 ভিউ 6 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

জাহিদুল ইসলাম, দুমকি (পটুয়াখালী)
print news | দুমকিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক মুডগালের আবাদ, বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা | সমবানী

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলতি মৌসুমে মুগডালের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া বজায় থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ইতিমধ্যে দিগন্ত জোড়া মাঠে মাঠে সবুজের সমারোহে ফুল-ফলে ভরে গেছে। কোন কোন ক্ষেতের মুগ পাকা শুরু হয়েছে। আবার কিছু কিছু ক্ষেতে ফুল আশা শুরু হয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে অধিক জমিতে মুগডাল চাষ করায় ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার মুরাদিয়া, শ্রীরামপুর, আঙ্গারিয়া, লেবুখালী ও পাঙ্গাশিয়া এই পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ৪ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কৃষকের আগ্রহ ও অল্প সময়ে, কম খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায়র কারণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

দক্ষিণ মুরাদিয়ার কৃষক আবুল কালাম বলেন, চলতি মৌসুমে তিন একর জমিতে বারি মুগ-২ এর চাষ করেছি। ফুল ফলে প্রতিটি ক্ষেত ভরে গেছে। বর্তমানে আমিসহ সকল কৃষক আগাছা পরিষ্কার ও পরিচর্যায় ব্যস্ত আছি। আশাকরি বেশ লাভবান হবো।

অপর কৃষক মাইনুল ইসলাম জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শক্রমে প্রনোদনার আওতায় একটি বারিমুগ-৬ এবং জামলা কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সহায়তায় বারি মুগ-৮ এর ২টি প্রদর্শনী প্লট সারিবদ্ধ পদ্ধতিতে আবাদ করেছি। ছিটিয়ে বীজ বপনের চেয়ে সারিবদ্ধ পদ্ধতিতে মুগ চাষাবাদ করলে অধিক ফলন পাওয়া যায় এবং বেশি লাভজনক হওয়া সম্ভব। দক্ষিণ শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক মোশাররফ হোসেন জানান, তিন একর জমিতে তিনি মুগডাল চাষ করেছেন। কম খরচে ভাল ফলন পাওয়ায় সবাই এখন মুগডালের চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, আবহাওয়া এখনো অনুকূলে রয়েছে। তিনি বলেন, অতিবৃষ্টি কিংবা বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর মুগডালের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে ভালো ফলন নিশ্চিত করতে পারেন।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হওয়ায় উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে কৃষকের আর্থিক লাভ বাড়বে। অন্যদিকে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের ডাল উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

একটি মন্তব্য করুন

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading