রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাউখালীতে থামছে না মা ইলিশ নিধন দায়সারা অভিযান

০ টি মন্তব্য 13 ভিউ 4 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, কাউখালী, পিরোজপুর।
print news | কাউখালীতে থামছে না মা ইলিশ নিধন দায়সারা অভিযান | সমবানী

পিরোজপুরের কাউখালীতে ধামছে না মা ইলিশ নিধন। কর্তৃপক্ষের দায়সারা অভিযানের ফলে মা ইলিশ নিধন বন্ধ হচ্ছেনা। উপজেলার সন্ধা, কঁচা, কালীগঙ্গা, চিরাপাড়া, গাবখান সহ বিভিন্ন নদী ও শাখা-প্রশাখায় জেলেরা নিষিদ্ধ সময় অবৈধভাবে জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ নিধন করে যাচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস কর্মকর্তা বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে ৫ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এরপরেও উপজেলার চিরাপাড়া, বেকুটিয়া, মেঘপাল, হরিনধারা জোলাগাতি, ফলোইবুনিয়া, গাজীরহুলা, শিয়ালকাঠি, পাঙ্গাসিয়া,বাদামতলা, গন্তব্য, সয়না ,সুবিদপুর, আমরাজুড়ি, আশোয়া, গোপালপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় রাতে কিংবা অতি ভোরে অবৈধভাবে ধরা মাছ গ্রামে গ্রামে বিক্রি করছে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা।

এ ব্যাপারে বিভিন্ন মাধ্যমে নদীতে ঘুরে খোঁজ খবর নিলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, নদীতে তেমন কোন কঠোর অভিযান না থাকায় সুযোগ বুঝে নিয়মিত পানির নিচে জাল ডুবিয়ে মাছ ধরছেন। মাছগুলো সতর্কতা অবলম্বন করে গ্রামে গ্রামে কমদামে বিক্রি করছে জেলেরা। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা মৎস কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, মৎস অফিসে জনবল সংকট রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার মিটার সুতার জাল ও ৪টি মাছ ধরার নৌকা ধ্বংস করেছি।

আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বজল মোল্লা জানান, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে এ পর্যন্ত ৫ জনকে জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading