শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাকিমপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আটক

০ টি মন্তব্য 6 ভিউ 6 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, হিলি, দিনাজপুর।
print news | হাকিমপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আটক | সমবানী

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, প্রতারণা এবং ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সফিউল ইসলাম (৩৯)-কে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ডা. সফিউল ইসলাম সফিউল ইসলাম রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার জারুল্যা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি হাকিমপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস-এ ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

ভুক্তভোগী নারী হাকিমপুর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, তার স্বামী মো. ওহেদুল ইসলাম অসুস্থ থাকায় চিকিৎসার সূত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচয় হয়। চিকিৎসার একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নিজের সরকারি কোয়ার্টারে ভুক্তভোগীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে তাকে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তিনি স্বামীকে তালাক দেন। এরপর ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেন এবং একই দিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপরও তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে চলাফেরা করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পোস্ট অফিসের নোটিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তা ১০ ফেব্রুয়ারি তাকে তালাক দিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হাকিমপুর থেকে বিরামপুর যাওয়ার পথে হাকিমপুর পৌরসভার চারমাথা মোড়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ফোন করে তাকে অফিসে আসতে বলেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও পশু হাসপাতাল এলাকায় গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে অফিস কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে পুনরায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

জাকির হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও যৌন ভিডিও সংক্রান্ত অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading