রবিবার, ৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জে মা-ইলিশ মাছ ধরতে নিষেধ করায় ৪জনকে পিটিয়ে জখম। মামলা দায়ের।

০ টি মন্তব্য 15 ভিউ 5 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

জাকির জমাদ্দার, বাকেরগঞ্জ
print news | বাকেরগঞ্জে মা-ইলিশ মাছ ধরতে নিষেধ করায় ৪জনকে পিটিয়ে জখম। মামলা দায়ের। | সমবানী

বরিশালের বাকেরগঞ্জে অবরোধ চলাকালীন সময় ইলিশ মাছ ধরতে নিষেধ করায় ৪জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। আহতরা হলেন মোঃ বেল্লাল হোসেন (৩২) মোঃ আহাদ (২০), রাকিবুল ইসলাম (২৪) ও হাসিব সিকদার (২৫)। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় বাকেরগঞ্জর ভরপাশা ইউনিয়নের বটতলা ভাঙ্গাপুল বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত মোঃ বেলাল হোসেন বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,সরকারি আইন অনুযায়ী ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ মাছ পরিবহন,ক্রয়-বিক্রয়,মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু তা থাকা সত্তে¡ও ভরপাশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়াডের্র মোকলেছ হাওলাদারের পুত্র মোঃ সজল হাওলাদার ও আইব আলীর পুত্র জসীম উদ্দীন জয়ের নেতৃত্বে ইলিশ মাছ আহরণ,মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয় চলছে। মাছ ধরার নিষেধ করায় একই এলাকার মোঃ আহাদ,রাকিবুল ইসলাম ও হাসিব সিকদারদের তারা ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি দেয়।

এরই জের ধরে গত ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় ভরপাশা ভাঙ্গাপুল বাজারের মধ্যে বসে সজল,জসিম উদ্দিন জয়,হাসান ও আইব আলীসহ ৮-১০ জন প্রতিবাদকারী কিশোর আহাদ, রাকিবুল ও হাসিব সিকদারকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালী ও মারধর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে হামলাকারীরা লোহার রড ও লাঠিসোঠা নিয়ে মোঃ বেলাল হোসেনকে পিটিয়ে জখম করে। এ সময় সে মাটিতে লুটাইয়া পড়িলে হামলাকারীরা তার বাড়ির কাজের ইট বালু করার জন্য ৮৭,৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। যাবার সময় হামলাকারীরা সুযোগ মতো তাকে পাইলে পঙ্গু করিবে,খুন করিবে মরবে হুমকি প্রদান করে।

বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আপনি পছন্দ করতে পারেন

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading