জনপ্রিয়তার শীর্ষে পশ্চিম চর উমেদ ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ
প্রতিনিধিঃ
ইউসুফ আহমেদ, লালমোহন, ভোলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন হলের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, তৎকালীন ভোলা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকার বলেন,আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান, আমার পিতা মরহুম সোলাইমান মাতাব্বর তৎকালীন পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি থাকাকালীন সময়ে এই ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করার লক্ষ্যে বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৩ সালে আমি পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই।চেয়ারম্যান হিসেবে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক ব্যপক কাজ করায় পাল্টে গেছে ইউনিয়নের চিত্র।
তিনি আরো বলেন,আমার দক্ষতা ও এলাকার জনপ্রিয়তা দেখে তৎকালীন আওয়ামীলীগের একটি মহল ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করে চেয়ারম্যান হওয়ার পায়তারা চালায়।ইউনিয়নটি দুই ভাগে বিভক্ত হতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় নির্বাচন বন্ধ থাকে।
পরে ভোলা ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপসারণ করার জন্য এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি ছালেম হাওলাদারকে দিয়ে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপশারন করে।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী মার্চ মাসের ৯ তারিখে এই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনী মাঠে আমার জনপ্রিয়তা দেখে ঠিক নির্বাচনের ২ দিন আগে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাতাব্বর ও তার ভাগিনা ইকবাল আদালতে মামলা করে ভোট বন্ধ করে দেয়।ওই সময় নির্বাচনের করার জন্য প্রায় শতাধিক চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থী ছিলো।
আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে পালানোর পরে দীর্ঘ সময় এই ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন,লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দুর্দশা থেকে পরিত্রাণ করতে,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ছালেম হাওলাদারের দায়ের করা মামলার সুবিচারের জন্য
আদালতের হাজির হই।তখন উচ্চ আদালতে সুবিচারের মাধ্যমে আমার চেয়ারম্যানের পদ ফিরে পায়।
সম্প্রতি কিছু কুচক্রী মহল গজারিয়া বাজারে মানববন্ধন করে চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছে তারা ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কোথায় ছিলো।যখন নির্বাচন হওয়ার ২দিন আগে মামলা করে নির্বাচন বন্ধ করে।মানববন্ধন অংশগ্রহনকারী অধিকাংশই আওয়ামীলীগের দালাল। কারন বিএনপি’র হাই কমান্ড জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন সমর্থন করেনা,আজকে যারা মানববন্ধনে নির্বাচনের দাবী জানাচ্ছে এরা অবশ্যই বিএনপির শত্রু।
আরও পড়ুন
- বোরহানউদ্দিনে ইসলামী আন্দোলনের গণ সমাবেশ
- ভোলায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৫ কারবারি আটক
- বোরহানউদ্দিনে খাবারে নেশা খাওয়াইয়া অচেতন করে ২ লক্ষ টাকা চুরি অসুস্থ্য ৫ জন
শেয়ার:
- Click to share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Click to share on X (Opens in new window) X
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Click to share on Reddit (Opens in new window) Reddit
- Click to share on X (Opens in new window) X
- Click to share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr
- Click to share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Click to share on Pocket (Opens in new window) Pocket
- Click to share on Threads (Opens in new window) Threads
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
Discover more from সমবানী
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
