নির্বাচন অংশগ্রহন মূলক, উৎসব মূখর ও স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- সুনামগঞ্জ জেলার রিটার্নিং অফিসার।
প্রতিনিধিঃ
লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের নির্বাচন কে সবার অংশগ্রহন মূলক, উৎসব মূখর ও স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলার রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক ড মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃংখলা কমিটির বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন,সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল একেএম জাকারিয়া কাদির,সিভিল সার্জন ডাঃ জসিম উদ্দিন, সেনাবাহিনীর মেজর নকীব,এন এস আই ডিডি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মাহবুবুর রহমান,পিপি এডভোকেট মল্লিক মঈনুদ্দিন সোহেল,সুনামগঞ্জ জেলা আইন জীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হক, এডিশনাল পিপি এডভোকেট শেরেনুর আলী,দৈনিক সুনামগঞ্জের ডাক সম্পাদক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু, ক্যাব সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি দীপক ঘোষ, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় একাধিক সদস্য আসন্ন নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলার বিশম্ভরপুর সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহন পুর ও পৌর এলাকার নবী নগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন কে হুমকী প্রদানের অভিযোগ করেন।
শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টর আনোয়ার হোসেনের সমর্থক নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন তাদের নেতা কর্মীদের প্রতিপক্ষের লোকজন নানা ভাবে পুলিশী হয়রানী করছে। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন জানান বিনা কারণে কাউকেই হয়রানী করা যাবে না। যদি সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
একটি সুন্দর ও ভয়ভীতি হীন নির্বাচন উপহার দিতে আমাদের পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। জেলা প্রশাসক ড মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন কাউকে বিনা কারণে হয়রানী করলে আমরা উপযুক্ত পদক্ষেপ নেব। এছাড়াও আপনাদের আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতা জানান নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিগত দিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর হয়। এ ব্যাপারেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম ব্যবস্থা ও সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন।
আরও পড়ুন
- বোরহানউদ্দিনে ইসলামী আন্দোলনের গণ সমাবেশ
- ভোলায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৫ কারবারি আটক
- বোরহানউদ্দিনে খাবারে নেশা খাওয়াইয়া অচেতন করে ২ লক্ষ টাকা চুরি অসুস্থ্য ৫ জন
শেয়ার:
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Share on Reddit (Opens in new window) Reddit
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Share on Pocket (Opens in new window) Pocket
- Share on Threads (Opens in new window) Threads
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
Discover more from সমবানী
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
