শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিলিতে লেবুর হালি ৬০ টাকা।

০ টি মন্তব্য 12 ভিউ 7 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, হিলি, দিনাজপুর।
print news | হিলিতে লেবুর হালি ৬০ টাকা। | সমবানী

দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী জনপদ হিলি বাজারে হঠাৎ করেই লেবুর দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। মাত্র দুদিন আগেও যেখানে প্রতি হালি (৪টি) লেবু বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, তা বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে একই লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা হালি দরে। অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন দ্বিগুণ মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগ।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব দোকানেই একই দামে লেবু বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আমদানি কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে চাহিদার তুলনায় বাজারে লেবুর পরিমাণ কম থাকায় দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।

হিলি সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানকার বাজার দেশের বিভিন্ন জেলা ও আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ব্যবসায়ীদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে লেবুর আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে প্রতিদিন যে পরিমাণ লেবু বাজারে আসত, এখন তার অর্ধেকও আসছে না।

হিলি বাজারের ব্যবসায়ী বিপ্লব শেখ বলেন, আগে প্রতিদিন প্রচুর লেবু আসত। এখন আমদানি কম থাকায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। আমরা বেশি দামে কিনছি, তাই খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আরেক বিক্রেতা মোতালেব হোসেন জানান, আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়াইনি। পাইকারি বাজারে দাম প্রায় দ্বিগুণ। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দাম কমে আসবে। এটা সাময়িক সমস্যা।

হঠাৎ করে লেবুর দাম বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

লেবু কিনতে আসা গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন, একদিন দিন আগেও ২৫ টাকায় এক হালি লেবু কিনেছি। আজ ৬০ টাকা চাচ্ছে। এত অল্প সময়ে এমন দাম বাড়া সত্যিই অবাক করার মতো।

আরেক ক্রেতা আব্দুল সাত্তার বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এমনিতেই বেশি। লেবু তো প্রতিদিনের দরকারি জিনিস, বিশেষ করে রমজান ও গরমের সময়। দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে।

রমজান ঘনিয়ে আসায় লেবুর চাহিদা সাধারণত বেড়ে যায়। ইফতারি ও বিভিন্ন খাবারে লেবু অপরিহার্য উপকরণ। ঠিক এমন সময়ে হঠাৎ দ্বিগুণ মূল্যবৃদ্ধি ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দ্রুত বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে রমজানের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় এ ধরনের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর মনিটরিং থাকলে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading