শুক্রবার, ২২শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লঞ্চঘাট-পূর্ব ইব্রাহীমপুর যাত্রী ছাউনি উদ্বোধন পূর্ব ইব্রাহীমপুরবাসীকে ঈদ উপহার দিলেন জেলা প্রশাসক

০ টি মন্তব্য 11 ভিউ 8 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ
print news | লঞ্চঘাট-পূর্ব ইব্রাহীমপুর যাত্রী ছাউনি উদ্বোধন পূর্ব ইব্রাহীমপুরবাসীকে ঈদ উপহার দিলেন জেলা প্রশাসক | সমবানী

সুনামগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট-পূর্ব ইব্রাহীমপুর খেয়াঘাটে নবনির্মিত আধুনিক যাত্রী ছাউনি উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। ঈদকে সামনে রেখে নির্মিত ‘মেঘ বাড়ী’ নামক এই ছাউনি ঈদ উপহার পেয়ে উল্লসিত পূর্ব ইব্রাহীমপুরবাসী।

বুধবার সকালে শহরের প্রাণকেন্দ্র লঞ্চঘাট-পূর্ব ইব্রাহীমপুর খেয়াঘাটে নবনির্মিত আধুনিক যাত্রী ছাউনি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অসীম চন্দ্র বনিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মতিউর রহমান, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কালী কৃষ্ণ পাল, চার দশকের সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম কয়েসসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, পূর্ব ইব্রাহীমপুর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন। তিনি বলেন, গত বছরের ৮ মার্চ পূর্বইব্রাহীমপুরবাসী খেয়াঘাটে যাত্রী ছাউনির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ছাউনি নির্মাণের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। জেলা প্রশাসকের আন্তরিকতায় দীর্ঘ এক বছর পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রায় ৪৫ বছরের পুরোনো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে লঞ্চঘাট এলাকায় যাত্রী ছাউনি ও ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রী ছাউনি নির্মাণের ফলে পূর্ব ইব্রাহীমপুরসহ সুরমা উত্তরপাড়ের হাজারো শিক্ষার্থী, শত শত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপকৃত হবেন। এখন রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বসার সুযোগ পাবেন। খেয়া নৌকার যাত্রীরা দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, খেয়া পারাপারের সময় এখানকার হাজারো শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভোগান্তি নিরসনের জন্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ছাউনি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, এই ছাউনিতে খেয়া পারাপারের যাত্রীরা অল্প সময়ের জন্য বসার সুযোগ পাবেন। আগে অনেক শিক্ষার্থী, নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা বসার জায়গা পেতেন না। এখন তারা রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের কষ্ট থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবেন। ঈদকে সামনে রেখে পূর্ব ইব্রাহীমপুরবাসীর জন্য এই আধুনিক ছাউনি উপহার দেওয়া হলো।

তিনি বলেন, এই ছাউনি পূর্ব ইব্রাহীমপুরবাসীর। এটা আর কারো নয়। আমরা এই ছাউনি গ্রামবাসীকে দিয়েছি।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ছাউনিটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ছাউনি বা ঘাটের আশপাশে কেউ যাতে নোংরা না করে সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে। এখানে ছাউনির পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট ভবনও রয়েছে। তাই এলাকার নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছাউনি বা আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা নোংরা পরিবেশ সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সবাইকে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

উদ্বোধন শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত পেশ করেন সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading