শুক্রবার, ২৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের কারাবাসে মৃত্যুর ৩৮ দিন পর  দেশে ফিরল খাইরুজ্জামালের মরদেহ

০ টি মন্তব্য 11 ভিউ 4 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

হুমায়ুন কবির সূর্য, কু‌ড়িগ্রাম
print news | ভারতের কারাবাসে মৃত্যুর ৩৮ দিন পর  দেশে ফিরল খাইরুজ্জামালের মরদেহ | সমবানী

অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে কারাবাসে মৃত্যুর ৩৮ দিন পর দেশে ফিরেছে খাইরুজ্জামালের (৪২) মরদেহ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে লালমনিরহাটের চেংড়াবান্দা (বুড়িমারী) স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙা গ্রা‌মের মৃত আব্দুল্লার ছে‌লে খাইরুজ্জামাল।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে ৩ বছর পূর্বে জীবিকার সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিল খাইরুজ্জামাল। কিছুদিন পর ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয় সে। এরপর বেআইনীভাবে প্রবেশের অভিযোগে সাজা হয় তার। কারাবন্দি অবস্থায় সাজাভোগকালীন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১০ ফেব্রুয়ারি তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর পর মরদেহ দেশে ফিরে আনতে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। টানা ৩৮ দিন প্রচেষ্টার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বিজিবি, বিএসএফ, দুই দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) সাইদ ইব‌নে সিদ্দীক ব‌লেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শে‌ষে খাইরুজ্জামা‌লের মর‌দেহ তার স্বজন‌দের কা‌ছে হস্তান্তর করা হ‌য়ে‌ছে।

নিহত খাইরুজ্জামালের মামা ফুল মিয়া বলেন, খাইরুজ্জামালের লাশ সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় দাফন করার কথা ছিলো। এলাকাবাসীর অনুরোধে তারাবির নামাজে পর জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading