বামনার রুহিতার চরে শান্তি রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ দরকার
প্রতিনিধিঃ
মোঃ নাসির মোল্লা ,বামনা(বরগুনা) প্রতিনিধি:
বামনা উপজেলার চর্চা ম্যাপভুক্ত রুহিতার চর এলাকায় বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ি, কালিকাবাড়ি, বলইবুনিয়া ও তাফালবাড়িয়া এলাকার অবৈধ ভূমিদস্যু ও দুর্বৃত্তরা গত কয়েক দিনে জোর খাটিয়ে প্রায় আট দশক ধরে বামনার কৃষকদের চাষাবাদের আওতায় থাকা শতাধিক একর চর দখল করে চরে মাটি কেটেছে, নতুন করে খাল কেটেছে, এবং বেশ কয়েকটি নতুন ঘর তুলেছে। সেখানের ঘরের সামনে সৌর বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছে। তা ছাড়াও বামনার কৃষকদের লাগানো বীজ তুলে বামনার জমিতে ট্রাকটর দিয়ে চাষ করে ধান লাগিয়েছে এবং কয়েকটি বড় বড় গাছ রোপণ করেছে। বামনার কৃষকদের তাদের পূর্বের দখলে যেতে দিচ্ছে না। এসবের ফলে চরের সমস্যা ক্রমশঃই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে।
রুহিতার চরে স্থায়ী বরাদ্দ প্রাপ্ত এক কৃষক প্রশ্ন তোলেন, “আইনের শাসন মেনে চলা বামনার মানুষের চরের জমি রক্ষায় আর কতো অপেক্ষা করতে হবে?” অপর এক কৃষক বলেন, ” সরকারি জমিতে বেতাগীর বাসিন্দারা কোন অনুমোদন বা কাগজ-পাতি ছাড়া গায়ের জোরে ঘর তোলে, ধান লাগায়, জ্যান্ত গাছ এনে বসায়, খাল কেটে সীমানা বাড়ায়। অথচ বামনার গরীব কৃষক নদীর পাড়ে বসে অবস্থা দেখে দুঃখে কান্দে।”
একজন রাজনৈতিক নেতা মত প্রকাশ করেন, “রুহিতার চরে আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়ে কোন হাঙ্গামা বা খারাপ ঘটনা ঘটার আগেই
চরে বরাদ্দপ্রাপ্ত চাষীদের, তাদের মালামাল ও গবাদি পশুর নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে এবং চরের জুলুমবাজ ও অবৈধ দখলদার হিসেবে রুহিতার চরে লুটপাট ও হামলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণে জেলা প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার”।
অভিজ্ঞ জনের ধারণা, জনসাধারণের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে রুহিতার চরসহ বিষখালী নদীতে জেগে উঠা ঐ এলাকার তিনটি চরে সব ধরণের চাষাবাদ ও অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা বা অন্য কোন কঠোর আইনী প্রয়োগ দরকার।
রুহিতার চর সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে বামনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান জানান চরের জটিলতা নিরসনের জন্য আমি একাধিকবার বৈঠক করেছি এবং গত ০৭ আগস্ট বামনার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও খেটে খাওয়া কৃষকগণ আমার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন আমি উক্ত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে আমার হাতে আর কিছু নেই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোঃ শফিউল আলম মুঠোফোনে বলেন আমরা চর রুহিতা নিয়া কাজ করতেছি। যদি কোন পক্ষ হাঙ্গমা করে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃ নাসির মোল্লা
শেয়ার:
- Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on LinkedIn (Opens in new window) LinkedIn
- Share on Reddit (Opens in new window) Reddit
- Share on X (Opens in new window) X
- Share on Tumblr (Opens in new window) Tumblr
- Share on Pinterest (Opens in new window) Pinterest
- Share on Pocket (Opens in new window) Pocket
- Share on Threads (Opens in new window) Threads
- Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
Discover more from সমবানী
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
