শনিবার, ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে প্রায় ২০ ম.টন সরকারি চাল জব্দ করল জনতা

০ টি মন্তব্য 7 ভিউ 4 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
print news | কুড়িগ্রামে প্রায় ২০ ম.টন সরকারি চাল জব্দ করল জনতা | সমবানী

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন তিনটি গুদাম থেকে ৭ থেকে ৮শ’ বস্তা সরকারি চাল আটক করেছে জনতা। পরে খবর পেয়ে গুদাম ঘরগুলো হেফাজতে নিয়েছি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের সংলগ্ন কাশিম বাজারের ব্যবসায়ী ছমের আলী, রবিউল ইসলাম ও সোনাউল্ল্যাহ মিয়ার গুদাম ঘর থেকে এসব চাল আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, খাদ্য অধিদপ্তরের সিলমহর যুক্ত ৩০ কেজি চালের বস্তা এবং কিছু স্থানীয় বস্তায় এসব চাল গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে পরিমাপ করা সম্ভব না হলেও ধারণা করা হচ্ছে গুদাম তিনটিতে ৭শ থেকে ৮শ বস্তায় আনুমানিক ২০ মেট্রিক টন চাল মজুদ করা হয়েছে। জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা গা ঢাকা দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, এই চালগুলো ভিজিএফের রবাদ্দকৃত চাল।চেয়াম্যান মেম্বাররা পাইকারদের কাছে চাল বিক্রি করে দিয়েছে। পাইকাররা জনসম্মুখে পরিষদের গুদাম থেকে এসব চাল নিয়ে নিজেদের গুদামে রেখেছে। অথচ গরীব মানুষ চাল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকর করে বলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বলেন, বলদিয়া ইউনিয়নে ৬৪টন ৫৩০ কেজি ভিজিএফ চাল শতভাগ বিতরণ শেষ হয়েছে। এসব চাল কোথা থেকে এসেছে আমার জানা নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন বলেন, আটক এসব চাল সরকারি দপ্তরের। কয়েকটি গুদামে আনুমানিক ৭শ থেকে ৮শ টি সরকারি এবং স্থানীয় বস্তায় এসব চাল অবৈধ গুদামজাত করা হয়েছে। পুলিশ আসার আগেই গুদামের মালিকরা পালিয়ে গেছে। আপাতত এসব চাল পুলিশি হেফাজতে থাকবে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading