শনিবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে মসজিদে নামাজ পড়তে আসায় বাঁধা, মুসল্লীকে মারধর

০ টি মন্তব্য 9 ভিউ 5 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
print news | কুড়িগ্রামে মসজিদে নামাজ পড়তে আসায় বাঁধা, মুসল্লীকে মারধর | সমবানী

কুড়িগ্রাম পৌর শহরের টাপু নামা ভেলাকোপা এলাকায় মসজিদে নামাজ পড়তে আসায় বাঁধা প্রদান ও নামাজ পড়তে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ছকমল হোসেন(৫০) নামে এক মুসল্লীকে গালাগালি ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন জনের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তরা হলেন, কুড়িগ্রাম পৌর শহরের টাপু নামা ভেলাকোপা গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন, শহিদুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী।আহত ছকমল হোসেন কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

এর আগে গত সোমবার সকালে পৌর শহরের ফারাজী পাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এ মারধরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সুত্র ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, টাপু নামা ভেলাকোপা এলাকায় গ্রামের সকলে মিলে ফারাজিপাড়া জামে মসজিদ নির্মান করেন। উক্ত মসজিদে সবাই নিয়মিতভাবে নামাজ আদায় করে আসছিলেন। কিন্তু গ্রামের কিছু লোকজন উক্ত মসজিদে নামাজ আদায় না করে পুনরায় নতুন করে আর একটি ওয়াক্তি ঘর নির্মাণ করেন।

পরে ওয়াক্তি ঘরে নামাজ আদায় করার জন্য তারা চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। ঘটনার দিন নতুন ওয়াক্তি ঘরে নামাজ পড়তে না চাইলে বিবাদীগণ ছকমল হোসেনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী ছকমলের উপর মারধর ও গলা টিপে হত্যা চেষ্টা চালায়। পরে স্থানীয়রা ছকমলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় লোকজন।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুল্লাহ জানান, এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবে বলে জানান তিনি।

Muslim man beaten up for praying at mosque in Kurigram1 | কুড়িগ্রামে মসজিদে নামাজ পড়তে আসায় বাঁধা, মুসল্লীকে মারধর | সমবানী

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading