রবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে যে ব্রীজে নজর নেই প্রশাসনের ভোগান্তিতে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ

০ টি মন্তব্য 6 ভিউ 6 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম
print news | কুড়িগ্রামে যে ব্রীজে নজর নেই প্রশাসনের ভোগান্তিতে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ | সমবানী

কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের জামতলাপাড় থেকে কচুয়ারপাড়-মাদাইখাল সংযোগ সড়কটিতে নির্মানাধীন ডুবুরীরখাল ব্রীজটি দীর্ঘ ১৭বছর ধরে বিধ্বস্ত হওয়ার পরও পূণ:নির্মাণ না করায় ভোগান্তিতে রয়েছে দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ।

সরকারি কোন উদ্যোগ না থাকায় গ্রামবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ভাঙ্গা ব্রীজের উপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে সাময়িকভাবে চলাচল উপযোগী করে তোলা হলেও দীর্ঘদিন ধরে পাটাতনটি সংস্কার না করায় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা তৈরি করেছে। এখানে একটি নতুন টেকসই ব্রীজ নির্মানের দাবি যেন কারো কানেই পৌঁচাচ্ছে না।

জানা গেছে, ত্রাণ ও পূণর্বাসন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে একই জায়গায় পর পর দুটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। স্বল্প বাজেট ও নি¤œমানের কাজ হওয়ায় নির্মানের ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ব্রীজ দুটি বন্যার সময় তীব্র ¯্রােতে ডেবে যায়। ২০০৬ সালে সর্বশেষ নির্মিত ব্রীজটি ২০০৮ সালে বন্যায় বিধ্বস্ত হওয়ার পর এই ব্রীজটি নিয়ে আর কেউ মাথায় ঘামায়নি। ফলে দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ বন্যা ও বর্ষার সময় চরম ঝুঁকির মধ্যে পারাপার করছেন।

এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী জানান, ব্রীজটি দিয়ে ঠিকমতো আমরা হাঁটতেও পারিনি। অসুস্থ্য রোগী কিংবা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে কয়েক কিলোমিটার ভাঙ্গা রাস্তা পাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পাটাতনের উপর দিয়ে অটোচলাচল করতে পারে না। ফলে প্রয়োজনীয় কাচামাল, সার, ধানচাল পরিবহনে আমাদের খুবই সমস্যা হচ্ছে।

কৃষক রমেশ চন্দ্র জানান, আমরা এমন একটা জায়গায় বসবাস করি যে কোন প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন করতে পারি না। বন্যার সময় কাঠের পাটাতনটি ভয়ংকর অবস্থায় থাকে। যে কোন সময় উল্টে যেতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী এই পাটাতনের সেতু পাড় হয়ে অনেক কষ্ট করে স্কুলে যাতায়াত করে। এখানে একটি ব্রীজ হলে আমাদের কষ্ট অনেক লাঘব হবে।

বিষয়টি নিয়ে নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান, ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ২০০৬ সালে ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। স্বল্প বাজেট ও নি¤œমানের কাজের কারণে ব্রীজটি বন্যায় ভেঙ্গে পরে। এখানে একটি গার্ডার ব্রীজের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এই জনপ্রতিনিধি।

ধ্বসে পরা ব্রীজটি নতুনভাবে নির্মাণ করা হলে জামতলা ও কচুয়ারপাড় এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সচল থাকবে এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

একটি মন্তব্য করুন

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading