সোমবার, ২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে মাহারাজা দিঘিতে পর্যটকের সংখ্যা

০ টি মন্তব্য 13 ভিউ 5 মিনিট পড়ুন
অ+অ-
রিসেট করুন

প্রতিনিধিঃ

মোঃময়নুল ইসলাম, পঞ্চগড়
print news | ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে মাহারাজা দিঘিতে পর্যটকের সংখ্যা | সমবানী

সরকারি ছুটি ও ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য সহ পরিবারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পঞ্চগড়ের বিভিন্ন পর্যটক স্পটে। তেমনি ঐতিহ্য বাহী মাহারাজা দিঘিতে ঘুরতে হাজার হাজার মানুষের সমগণ। মাহারাজা দিঘিতে ঘুরতে আসা অনেকেই নৌকা দিয়ে পুরো দিঘি ঘুরেন।

নাগর দলা, তারগেট সর্ট গান, বিভিন্ন ধরনের দোকান এসেছে এবার ঈদে। পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ পানি ও খাবার হোটেল রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে টুরিস্ট পুলিশের সাইবোড।দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মানুষ মাহারাজা দিঘি দেখতে আসেন।

রংপুর থেকে আলামিন বলেন, মাহারাজা দিঘির নাম বিভিন্ন প্রত্রিকাও টিভিতে প্রচারিত হয়েছে। তবে এখানে অনেক জায়গায় রয়েছে যা মানুষকে আকষণ করে যেমন দিঘিটির স্বচ্ছ পানি, পার গুলো পাহাড়ের মতো উচু বিভিন্ন ধরনের গাছে গাছে পাখির শব্দ। পরিবারের ছোট বাচ্চা ও বড়দের নিয়ে উপভোগ করলাম প্রকৃতির অপূর্ব সুন্দর দিঘিটি।

আটোয়ারী উপজেলার আলুখোয়া ইউনিয়নের সামসুল হক বলেন, আমি ঐতিহাসিক মাহারাজা দিঘি প্রথম দেখতে আসলাম। আমি ঢাকায় গার্মেন্টসের চাকরি করি এজন্য বেশি একটা সময় পাইনি। দিঘিটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত হলেও তবে এবারে আমি আগে থেকে সময় করে ঘুরতে আসছি।

তবে আমি আরও পর্যটক স্পটে যাবো। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এবারে ঈদে ঘুরাঘুরি ভালোই লাগলো। তবে জেলা প্রশাসক রেস্টহাউসটির নাজেহাল অবস্থা। পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। নৌকার মধ্যে কোনো রকম রেসকিউ ব্যবস্থা নেই। যা দূর্ঘটনা ঘটলে বড় ধরনের বিপদ ও জান মালের ক্ষতি হবে।

স্থানীয় মানুষ জন বলেন, মাহারাজা দিঘিতে পর্যটনের নিরাপত্তা ও দেখার জন্য সরকার থেকে বরাদ্দ থাকলে। হাজার থেকে লাখো মানুষের সমাগণ হতে পারে। পঞ্চগড়ের পর্যটন স্পটও দর্শনীয় স্থানের ব্যানার পোস্টারের ব্যবস্থা করা গেলে আরও মানুষ জন মাহারাজা দিঘিটি দেখতে আসবেন।অবহেলিত পঞ্চগড়ের জনপদটি অর্থনীতিতে শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন


Discover more from সমবানী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০  

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকিজ ব্যবহার করে। আমরা ধরে নেব আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন৷ গ্রহণ করুন আরও পড়ুন

Discover more from সমবানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading