বরগুনার বামনা উপজেলার ৩ নং রামনা ইউনিয়নের ৫ নং বলাই বুনিয়া গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের পুত্র মোঃ মাইনুল ইসলাম (১৭) ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী গত ০৪/০৫/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান রাত ৯ ঘটিকার সময় হঠাৎ করে সকলের অগচরে নিজ বসত ঘড়ের শয়ন কক্ষে বিষ পান করিলে তাকে দ্রুত বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
৫/০৫/২০২৫ তারিখ তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হইলে ৬/৫/২০২৫ তারিখ রাত ১২-৩০ ঘটিকায়র সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন মৃত্যু মাইনুল ইসলামের মায়ের দাবি, তিনি আরো বলেন মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন মানষিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
ঘটনার বিবারনে জানাযায় ৪ মে দুপুরে মঠবাড়িয়া কুমিরমারা এলাকয় বন্ধুর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে বিষের বোতল নিয়ে অনশন করেন এবং পরে নিজ বাড়িতে ফিরে বিষপান করেন ঐ কলেজ ছাত্র মাইনুল ইসলাম স্থানীয়রা জানান, বামনা উপজেলার ৩ নং রামনা ইউনিয়নের বলাইবুনিয়া গ্রামের মাইনুল ইসলামের সঙ্গে মঠবাড়িয়ার কুমিরমারা এলাকার এক কলেজ ছাত্রের সঙ্গে পরিচয় হয় একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময়। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। এরপর ভালোলাগা ও প্রেমের প্রস্তাব।
প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মাইনুল। কুমিরমারার ছেলেটি মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণত ডাইরি করেছেন বলে জানান মাইনুলের মা।
রোববার (৪ মে) দুপুরে মঠবাড়িয়ার কুমিরমারা এলাকায় বন্ধুর বাড়িতে বিষের বোতল নিয়ে উপস্থিত হয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন করেন তিনি। এ সময় বিষের বোতল দেখিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেন। সেখান থেকে ফিরে এসে রাতে নিজ বাড়িতে বিষপান করেন এই কলেজছাত্র।
এই ঘটনায় বামনা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুন অর রশিদ হাওলাদার তিনি বলেন বিষ পানের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা রজুর প্রস্তুতি চলছে।মৃত্যু দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত