পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় ডাকাতির মালামাল সহ দুই ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে ডাকাতি করা বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করে।
আটককৃতরা হলো বরগুনা জেলার বামনা থানার ডুসখালী ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল কাদের খানে ছেলে মো. বেল্লাল খান (৩৪) এবং একই এলাকার মো. ইউনুস শিকদারের ছেলে মো. হাসান সিকদার (২২)। বেল্লাল খানের বিরুদ্ধে বরগুনা জেলার বামনা থানায় ৫টি, ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া থানায় ১টি এবং রাজাপুর থানায় ২টি এবং ভাণ্ডারিয়া থানায় একটিসহ মোট ৯টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
থানাপুলিশ সুত্রে জানাগেছে, পাথরঘাটা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে আসা মিজান পরিবহনে দুই ডাকাত বরগুনার জেলার বামনা এলাকায় ডাকাতি করা মালামাল নিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভান্ডারিয়া থানাপুলিশ চোকপোস্ট বসিয় মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে ভান্ডারিয়া বাসস্ট্যান্ডে এই দুই ডাকাতকে মালামালসহ আটক করা হয়।
এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করি। তাদের কাছ থেকে চুরি করা মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। বরগুনা থানায় মামলা থাকায় তাদেরকে বরগুনা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ভান্ডারিয়ায় বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে বাবার আত্মহত্যা
ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ৩নম্বর তেলিখালী ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের গোল বুনিয়া গ্রামে থেকে গতকাল মঙ্গলবার নির্মান শ্রমিক মো. জলিল হাওলাদার (৫৫) নামের এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সে ওই ওয়ার্ডের মৃত আজাহার হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় ও থানাপুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মৃতের ভাতিজার স্ত্রী মোসাম্মৎ সীমা বেগম পুকুরে পানি আনতে যাওয়ার সময় ঘরের দরজা খোলা দেখে উঁকি দিয়ে দেখতে পায় তার শ্বশুর নিজ বসত ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস অবস্থায় ঝুলে আছে।
এসময় তার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ধারনা করা হচ্ছে জলিল হাওলাদার সোমবার রাতে যে কোন সময় নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করছে। জলিলের স্ত্রী না থাকায় এবং এক মাত্র ছেলে মো. সোলায়মান তার শ্বশুর বাড়ি ভোলায় থাকে। জলিল হাওলাদার একাই ঘরে বসবাস করত।
অন্যএকটি সুত্র জানায় তার একমাত্র ছেলে সোলায়মান বাবার নামে মঠবাড়ীয়া উপজেলার আশা এনজিও সাফা ব্র্যঞ্চ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋন নেয়। এ নিয়ে বাবার সঙ্গে মতবিরোধ সৃষ্টি হলে ছেলে বাড়ী থেকে চলে যায়। তার বাবা মনের দুঃখে কষ্টে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার জানান, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ পিরোজপুর জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । এবং এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত