আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হয় ট্রেন চলাচল। সিলেটের সাথে সারা দেশে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলো। অবসান ঘটলো যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগের
৩০ ঘন্টা ভোগান্তির পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সিডিউল বিপর্য হলেও সিলেটে এর ব্যতিক্রম। রেলওয়ের রানিং স্টাফরদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণায় স্বস্তি ফিরে এসেছে যাত্রী সাধারনের মধ্যে।
৩০ ঘণ্টা পর সিলেট থেকে ছেড়ে গেলো ট্রেন। দাবি পূরণের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করার পর স্বাভাবিক হলো ট্রেন চলাচল। স্বস্থি ফিরে পেল ট্রেন যাত্রীরা ।
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার রাসেল জানান, সকাল থেকে সিলেট থেকে যথারীতি কালনী, জয়েন্তিকা ও পারাবত ছেড়ে গিয়েছে যত রীতি সময়ে।
জানা যায়, বিভিন্ন দাবিতে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখেন রানিং স্টাফরা। ফলে ভোগান্তিতে পরেন যাত্রীরা। ট্রেন না পেয়ে কেউ ফিরে যান, কেউ কেউ বাসে করে গন্তব্যে পৌঁছান। আবার কেউ কেউ আটকা পড়েন সিলেটে। থাকতে হয় তাদেরকে বিভিন্ন হোটেল মোটেল স্বজনদের বাসায়।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) কয়েক দফায় তাদের সঙ্গে বৈঠকে রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে গতকাল রাত তিনটায় কর্মবিরতি থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ রেলওয়ের রানিং স্টাফ ও কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।
সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার নুরুল ইসলাম জানান, সিলেটে কোন ট্রেনের সিডিউল বিপর্জয় হয়নি। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক শোনার পর যাত্রীরা কাউন্টার থেকে অনলাইনে টিকিট ক্রয় করা শুরু করেছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত