মে দিবসের সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক দুই দিনের ছুটির কারণে কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল ফরাজীর তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটার প্রায় ৮০% হোটেল ইতোমধ্যেই বুকিং হয়ে গেছে।
জাতীয় মে দিবস এবং শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে আশেপাশের দর্শনীয় স্থানগুলোতে পর্যটকের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। পর্যটকরা হইহুল্লা করে মাতিয়ে রেখেছেন পুরো সমুদ্র সৈকত। সমুদ্রের বুকে কেউ ঝাঁপিয়ে পড়ছে কেউ বা আবার দলবেঁধে সাতার কাটছে। আনন্দ উপভোগের দৃশ্য স্মৃতিপটে ধারণের জন্য কেউ বা আবার ছবি তুলছে। অন্যদিকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ায় ব্যস্থতা দেখা গেছে কুয়াকাটার সকল হোটেল রেস্তোরাঁ সহ পর্যটননির্ভর সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। পর্যটকদের উপস্থিতিতে স্বস্তি ফিরছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝে।
ঢাকা থেকে আগত পর্যটক মাসুম রানা বলেন, “কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নিরিবিলি পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এখানকার সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে আসা সার্থক মনে হচ্ছে। মে দিবসের ছুটি উপলক্ষে অনেক বেশি পর্যটক থাকায় আনন্দ পাওয়া যাচ্ছে।
সৈকত লাগোয়া চা বিক্রেতা মো. আঃ সোবাহান বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে চোখে পড়ার মত পর্যটক কুয়াকাটায় আসছে। বেঁচা বিক্রি বাড়তে শুরু করছে। ক্যামেরাম্যান আলমাছ বলেন, তিন দিন ছুটি থাকায় মোটামুটি পর্যটক আসতে শুরু করেছে। আজ ভালোই পর্যটক বাড়ছে। আমরা আমাদের সংকট কাটাতে পারব।আচার বিক্রেতা মো.ছগির বলেন, আগের চাইতে বিক্রি বাড়ছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা সকল পর্যটকদের সেবা দেওয়া ও আইনি সহায়তা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। মে দিবস এবং সাপ্তাহিক দুই দিনের ছুটিতে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে । তাদের সেবায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছে। বিভিন্ন টিমে ভাগ হয়ে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। আমাদের মোবাইল টিম মাঠে কাজ করছে। সার্বক্ষণিক মাইকিং করে পর্যটকদের সকল বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই আমরা দায়িত্ব পালন করছি।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত