সকাল থেকে বইছে কনকনে শীতের হিমেল হাওয়া তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে সৈকতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়। দেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী সাগরকন্যা কুয়াকাটায় শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। সারাদিনে কোথাও সূর্যের দেখা না মিলেনি, ঠিক সন্ধান নামার আগ মুহূর্তে পশ্চিম আকাশে দেখা গেছে সূর্যের আলো। তবে কমেনি শীতের তীব্রতা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ।
শুক্রবার(০৩ জানুয়ারি) ২০২৫ সালের প্রথম শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কুয়াকাটা পর্যটকদের ভীড় লক্ষ করা গেছে। তবে কুয়াকাটা আগত অনেক পর্যটকই হোটেলে অবস্থান নিয়েছে শীতের তীব্রতা বাড়ায়।
নরসিংদী থেকে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটক আরিফুর রহমান বলেন, ‘কুয়াকাটা এসে বেশ ভালো লাগছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। অনেক পর্যটকের আগমন। এখানে দুদিন থাকার জন্য এসেছি, তবে শীতের তীব্রতা একটু বেশি। বাচ্চাদের নিয়েই মূলত এখানে আসা। বাচ্চারা সৈকতে গোসল করতে চেয়েছিলো কিন্তু পানি অতিরিক্ত ঠান্ডা তাই নামতে দেইনি। তবে সবাই আনন্দ-উল্লাস আর ছোটাছুটিতে ব্যস্ত।
হোটেল খান প্যালেস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রাসেল খান বলেন, কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভীড় রয়েছে। তবে শতভাগ বুকিং নেই হোটেল গুলো।অধিকাংশ হোটেল ৫০-৬০ শতাংশ বুকড হয়েছে।এবং প্রথম শাড়ির কিছু হোটেল শতভাগ বুকড হয়েছে। তবে শীতের তীব্রতা একটু কমলে কুয়াকাটায় পর্যটক বাড়বে বলে মনে করছি।
ট্যুরিষ্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিওনের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, শীতের তীব্রতা বেশি থাকলেও আগত পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিষ্ট পুলিশ। কুয়াকাটার সকল দর্শনীয় স্থানগুলোতে আমাদের একাধিক ট্যুরিস্ট পুলিশ এর টিম কাজ করছে যাতে করে পর্যটকরা আপন মনে সকল জায়গায় ভ্রমণ করতে পারে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত