
পটুয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী দুমকি আপতুন্নেছা খাতুন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় পুরানো ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে ছিঁড়ে ঝুলে থাকা এবং ফাটল ধরে পড়ে থাকা দেয়ালের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষে ছাদের পলেস্থা উঠে রড বাহির হয়ে গেছে এবং দেয়ালের প্লাস্টার উঠে ইট দেখা যাচ্ছে ক্লাসে শিক্ষার্থীরা সুরক্ষিত নয়। যেকোনো সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী স্মৃতি ও জান্নাতুল ফেরদাউস জানান, তাদের ক্লাসে বসতে ভয় লাগে কারণ ছাদের পলেস্থা খসে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
মামুন ও সরোয়ার নামে দুই অভিভাবক বলেন, আমরা সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিদ্যালয়ে পাঠাই, কিন্তু ভবনের এই দুরবস্থা আমাদের উদ্বিগ্ন করে রাখে। আমরা চাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিতোষ চন্দ্র দাস জানান, কিছুদিন পূর্বে পাঠদানরত অবস্থায় আমার মাথায় ছাদ থেকে পলেস্থা খসে পড়ে। তার পরেও ক্লাস রুমের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আমরা পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তার হ্যাপি জানান, বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। ক্লাস রুমের সংকটের কারণে ঝুঁকি সত্ত্বেও শিক্ষকরা প্রতিদিন পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন বিদ্যালয়ের একটি নতুন ভবন রয়েছে সেখানে সংকলন না হাওয়ায় বিভিন্ন সময় ক্লাস পরীক্ষা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নেওয়া হয় ওখানে একটি ভবন প্রয়োজন। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জানিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত