পিরোজপুরের কাউখালীতে খোলা বাজারে ওএমএস চাউল ক্রয়ের জন্য দরিদ্র ও দিনমজুর সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুক্র ও শনিবার ব্যতীত সপ্তাহের অন্যান্য দিন দুপুরের আগেই ডিলার দোকানে চাউল দেওয়া শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক ক্রেতা চাউল না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।
ভোর থেকে ভোক্তারা ডিলারের দোকানের সামনে লাইনের দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে পর্যায়ক্রমে চাউল ক্রয় করছেন।
উপজেলা সদরের ৩ জন ডিলারদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দৈনিক ২ জন ডিলার উত্তর ও দক্ষিণ বাজারে ডিলারের মাধ্যমে খাদ্য অধিদপ্তর ৩০ টাকা কেজি দরে দুই মেট্রিক টন চাউল বিক্রি করছে। একজন ক্রেতা সর্বাধিক ৫ কেজি চাউল ক্রয় করতে পারছেন।
দক্ষিণ বাজারের ডিলার শামীম হোসেন ও উত্তর বাজারের ডিলার পলাশ সাহা জানান, সকাল ৯ টায় চাল বিক্রি শুরু হয় এবং দুপুর ১টার মধ্যে সব চাউল বিক্রি হয়ে যায়। প্রতিদিন একজন ডিলার এক মেট্রিক টন চাল বিক্রি করতে পারে। অর্থাৎ ৫ কেজি করে দুইশ জনকে চাউল বিক্রি করতে পারে। তবে অনেকেই চাউল না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদেরকে পরের দিন আসতে বলা হয়।
চাউল ক্রয় করতে আসা অনেক ক্রেতা জানান যে লাইনের দাঁড়িয়েও চাউল পাওয়া যাচ্ছে না। দুপুরে আগেই চাউল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। চাউলের দাম বাজারে বেশি থাকার কারণে খোলা বাজারে চাউলের দোকানে নিম্ন, মধ্য সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ ভিড় করছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন চাউলের আরো বরাদ্দ বাড়াতে হবে। যাতে করে অধিক সংখ্যক মানুষ কম টাকায় চাউল কিনতে সক্ষম হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা জানান, খোলা বাজারে চাল বিক্রির ফলে বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে তখন খোলাবাজারে ভিড় কমে যাবে। প্রয়োজন বোধে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বরাদ্দ বাড়াবার চেষ্টা করা হবে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত