মোংলা পৌর সভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপি আহবায়ক জুলফিকার আলী বলেছেন " নয় কোটি টাকা দেনার ভার নিয়ে আমি মেয়রের চেয়ারে বসে ছিলাম। সেই দেনা পরিশোধ করে পৌর সভাকে প্রথমে ১ম শ্রেণির পৌরসভায়; পরে দেশের প্রথম ডিজিটাল শহরে রুপান্তর করেছি।
শনিবার (২ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় সরকারী টি এ ফারুক স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ১নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোংলা পৌর বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব জুলফিকর আলী এসব কথা বলেছেন।
জুলফিকার আলী আরও বলেছেন " আমাকে পৌর সভার পাতানো নির্বাচনে পরাজিত করে
কি লাভ হয়েছে । কই আমার পাশ করা ব্রিজ কেন হলো না। উন্নয় কেন থেমে গেল। আমার রেখে আসা ১৪কোটি টাকা কার পকেটে? সব হিসাব হবে।
বিএনপির এ নেতা বলেছন" পৌর নির্বাচনে আমার উপর হামলা হয়েছে মাফ করে দিয়েছি। কিন্ত যারা পাকিস্তানী কায়দায় নারীর গায়ে হাত দিয়েছি তাদের ক্ষমা নাই। আইনের মাধ্যমে তাদের বিচা হবে।
ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব আঃ মান্নান হালদার, পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক প্যানেল মেয়র মোঃ আলাউদ্দিন, পৌর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কাজী ফারুক, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী কমলা বেগম, ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি হাজী কামাল , ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সম্পাদক সম্পাদক আঃ রাজ্জাক,স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুদ্দিন হোসেন টুটুলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত