ভোলার চরফ্যাশন উপজেলাধীন উত্তর আইচা গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডে (গাজী মার্কেট) মাত্র ১১ শতাংশ জমির দখল নিয়ে প্রভাবশালী প্রবাসী দুই পরিবারের মধ্যে আজ দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
জানা যায় এই গ্রামের আক্কাস আলী খান বহুদিন পূর্বে উত্তর আইচা মৌজার দিয়ারা খতিয়ান নং২৮ এর ১৫১৮ ১১১৯, ১৫২০, ১৫২১, ১৫২২ ও ১৫৩৩ দাগ সমূহের মধ্যে ১৫১৮ নং দাগের ১১ শতাংশ জমি সহ মোট ৩৯ শতাংশ জমি খরিদ করেন।
একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেক এর পুত্র সফিজুল ইসলাম গংরা ও অত্র খতিয়ানে খরিদ সূত্রে বেশ কিছু জমির মালিক হন। কিন্তু এই ১১ শতাংশ জমি সড়কের পাশে ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উপযোগী ও বহু মূল্যবান হওয়ায় এই জমি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে।
আক্কাস আলী খানের পুত্র মুসলিম উদ্দিন শরীফ জানান গত ২৮/১২/২০২১ ইংরেজি তারিখে স্থানীয় সালিশ ওর পুলিশ প্রশাসনের বৈঠকের সিদ্ধান্তক্রমে অত্র ১৫১৮ নং দাগের এই ১১ শতাংশ জমি আমাদেরকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সফিজুল ইসলাম গংরা জমিটি তাদের বাড়ির সামনে হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে জবরদখলে নেয়ার চেষ্টায় বেকু দিয়ে মাটি খনন করে সম্মানিত শালিসদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে।
গত ১০/০১/২৫ ইংরেজি তারিখ শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে সাতটার সময় সফিজুল ইসলাম গংরা উক্ত জমিতে থাকা আমাদের একটি ঘর ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা আমার বৃদ্ধা মা হাসিনা বেগম (৪০) কে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলেন। আহত হাসিনা বেগম বর্তমানে বরিশাল শের -ই বাংলা (সেবাচিম) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তার অবস্থা আশঙ্কা জনক। সফিজুল ইসলাম জানান আক্কাস আলী খানের খরিদকৃত জমি সড়ক থেকে অনেক দূর পিছনে রয়েছে, সে অযথা ১৫১৮ নং দাগের এই ১১ শতাংশ জমি দাবী করে রাতের অন্ধকারে আমাদের বেশ কিছু গাছগাছালি কেটে ঘর উত্তোলন করেন। এই বিষয়ে উভয় গ্রুপের শশীভূষণ থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে বলেও তারা জানান।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে বৈঠকের কথা থাকলেও তা বিলম্বিত হচ্ছে। শীঘ্রই এই বিরোধের সঠিক সমাধান না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার ও শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের সম্ভাবনা রয়েছে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত