
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় চরখালী প্রবহমান খালের মাঝখানে গড়া ও টিনের বেড়া দিয়ে অবৈধ ভাবে মাছ শিকার করছেন মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার নামে এক প্রভাবশালী । এতে পাঁচ কিলোমিটার খালের পানির প্রভাব আটকে গেছে। সেই সাথে খালের মাঝখান আটকে থাকায় চরখালী খালে নৌ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ জাহাঙ্গীর হোসেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য এমন প্রভাবে তিনি খাল দখল করে অবৈধ ভাবে মাছ শিকার করছেন।
স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, ভান্ডারিয়ার হেতালিয়া ¯সুইজগেট থেকে পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে চরখালী প্রবহমান খালের মাঝখানে খালে অবৈধ ভাবে গড়া ও টিন দিয়ে খাল বন্ধ করে স্থানীয় প্রভাশালী মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার মাছ শিকার করছেন।
তিনি খালের মাঝ খানে সুপারি গাছের শলা ও ঢেউটিন দিয়ে অবৈধ ভাবে খাল আটকে পানি প্রবাহ বন্ধ করে মাছ শিকার করে আসছেন। ফলে পানির প্রবাহ আটকে এলাকার মানুষের দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে । এতে খালে কচুরিপানা আটকে পানি ব্যবহারের অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। অন্য দিকে খালে পানি বাধা গ্রাস্ত হয়ে নব্যতা কমে খালটি দিন দিন ভরাট হওয়ার পথে ।
এদিকে খালের মধ্যে নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সাথে খালে মাছের প্রজনন বধাগ্রস্থ হচ্ছে। এ বিষয় এলাকা বাসী প্রতিবাদ করলে তাদের প্রতি হুমকি সহ বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি দেখিয়ে নাজেহাল করছেন অভিযুক্ত প্রভাবশালী। তিনি বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে এ সকল কাজ করে যাচ্ছেন বলে এলাকাবাসির অভিযোগ। ফলে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করতে পারছেননা।
ভান্ডারিয়া উপজেলা জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহসিন বলেন, খাল আটকে মাছ শিকার বে-আইনি। প্রবহমান খাল আটকে মাছ শিকার করলে একদিন খাল নব্যতা হারাবে। কচুরিপানায় ভরাট হয়ে যাবে । দেশী প্রজাতির মাছের প্রজননসহ নানা সংকট দেখা দেবে।
এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন বিষয়টি আমাদের জানা নেই তবে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার বলেন মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যেমে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত