
নগর পরিচ্ছন্ন রাখা যদিও আমাদের সকলের দায়িত্ব । কিন্তু সেই জায়গা থেকে কেউ কেউ অবহেলা করে দায়িত্ব পালন না করার কারণে
পবিত্র নগরী সিলেটের কোন কোন স্থান হয়ে যায় অপরিচ্ছন্ন। আর সিলেট মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই
মাঠে কাজ করছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান সরকারের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। গ্রীন ও ক্লিন সিটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উনাকে দিয়েছেন এমন ব্যাখ্যা দিয়ে পরিচ্ছন্ন নগরী
বাস্তবায়নে কাজ করছেন হাটে ঘাটে ও মাঠে।
এবার নাগরিক সচেতনতায় বিলি করছেন লিফলেট।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) তিনি নগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের ময়লা-আবর্জনা ফেলার যথাস্থানে ফেলতে এবং এ বিষয়ে অপরকে উদ্বুদ্ধ করতে আহ্বান জানিয়ে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট তুলে দেন নাগরিক ও ব্যবসায়ী সমাজের হাতে।
এ সময় প্রশাসক বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে নগরকে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু অনেকেই নির্ধারিত স্থানে ময়লা না ফেলে যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলায় অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ও ড্রেন আবার নোংরা হয়ে যায়। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে নগরবাসী পাচ্ছে ভোগান্তি।
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও আধুনিক নগর গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; নগরের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্বশীল হতে হবে। নাগরিকদের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই লিফলেট বিতরণ তারই একটি অংশ।”
তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ময়লা-আবর্জনা রাস্তা বা ড্রেনে না ফেলে ডাস্টবিন বা নির্ধারিত পাত্রে রাখবেন এবং সিটি কর্পোরেশনের ভ্যানে তুলে দেবেন।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্যকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাবেল, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. মাহবুবুর রহমানসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত