
পিরোজপুরের কাউখালীতে হাড় কাঁপানো কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কুয়াশার চাদরে ঢেকে ছিল সারাদিন। রাতে বৃষ্টির মত কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় শীতের মাত্রা আরো বেড়ে গেছে।
এদিকে শীতার্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতবস্ত্র পাইনি ছিন্নমূলের মানুষেরা। ফলে শীতার্ত মানুষ দারুণ কষ্টে জীবন যাপন করছে। কোথাও কোথাও আগুন জ্বেলে শীত নির্বারণের চেষ্টা করছে।
দিন মজুররা শ্রম বিক্রি করতে না পারায় অনেকেই অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটানোর খবর পাওয়া গেছে। অনেকেই আবার শ্রম না দেয়ায় ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে চাপের সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। শীতে সবচেয়ে বেশি শিশু ও বৃদ্ধরা কষ্টে রয়েছে। সর্দি, শ্বাষ-কাশ ও ঠান্ডা জনিতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে উপজেলার ফুটপাতের দোকান সহ বিভিন্ন স্থানে গরম কাপড় কেনার জন্য ক্রেতারা ভিড় করছে।
একটু কম দামে গরম কাপড় চোপড় কেনার জন্য উপজেলার বিভিন্ন ফুটপাতে হুমড়ি হয়ে পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এদিকে তীব্র হাড় কাঁপানো কনকনে শীত ও হিমেল হওয়ার কারণে অনেক অসুস্থ রোগী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ছিন্নমূল মানুষ ও অসহায় ব্যক্তিরা গরম কাপড় পাওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিচ্ছেন।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত