
বিগত ৫ আগষ্টের পর পরেসিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানায় যোগ দেন এএসআই মোবারক।
থানায় যোগদান করার দুই মাসের মাথায় সহকারী বিটে গিয়ে নলজুড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদান করেন।
গোয়ানঘাট থানা থেকে এক যোগে অনেক জন কে পাথরকাণ্ডে বদলি করা হলেও তদবিরে বহাল মোবারক। তবে সাময়িক সে সময় তাকে নলজড়ি বিট থেকে সড়ানো হয়েছিলো।
এক সময় ঐ বিটের অফিসার বদলি হলেনও বদলি হয় সে। পাথর কান্ডে গোয়াইনঘাট থানার পুলিশের বদলিসহ রদবাল করা হয়। সেই রদবদলের তালিকায় সে থাকলেও রহস্যজনক কারণে মোবারক কে দুই নং পশ্চিম জাফলং বিটে দেয়া হয় পদায়ন।
বিটে দায়িত্ব নিয়েই জড়িয়ে পড়েন খনিজ বালু সিন্ডিকেট। যে কারণে ঐ বিটেও বেশি দিন থাকতে পারেন নি।
বদলি অনেকের হলেও প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের সোনার হরিণ হিসেবে মোবারকের বদলি হওয়ায় শুধু একবিট থেকে অন্য বিটে। স্বচ্ছতার নতুন বাংলাদেশ আর লটারিতে এসপি, ওসি নিয়োগ পাওয়ার সময়ে বিতর্কিত মোবারক কোন লটারির মধ্যে জয়ী হয়ে টিকে থাকেন একই থানায় লুটেপুটে খাওয়ার সুযোগ পান একের পর এক বিটের দায়িত্ব নিয়ে এমনটাই প্রশ্ন এখন সচেতনব হলে?
পুলিশের অভ্যন্তরেও তাকে নিয়ে অসন্তোষ
নেই বলা যাবে না। শৃংখল এই বাহিনীর মধ্যে স্থানীয় পর্যায়েও অসন্তোষ রয়েছে তাকে নিয়ে।
যে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একসময় প্রত্যাহার করা হয় উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক ( এ,এস আই) মোবারক কে সিন্ডিকেট পরিচালনায় আবারো মরিয়া হয়ে যোগ দিলেন
এমন খবর এখন "" টক অফ দা গোয়াইনঘাট""লোকমুখে।
এ বিষয়ে কথা বলতে পুলিশের অভ্যন্তরে স্থানীয়ভাবে সোনার হরিণ খ্যাতএ, এস, আই মোবারক এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কল কেটে দেন তিনি। এতে ধারণা করা হচ্ছে রাতের মোবারক দিনের মোবারক এর চেয়ে অনেক ব্যস্ত! আবার হতো থাকতে পারেন সরকারি কোনো কাজে ন্যস্ত। যে কারণে অভিযোগের বিষয়গুলো তার কাছ থেকে।
তবে কথা হয় গোয়ানঘাট থানা পুলিশের নবাগত অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান এর সাথে তিনি এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন কয়েকদিন পূর্বে নলজুড়ি বিটে
এ.এস.আই মোবারক কে দেয়া হয়েছে। আগের এসব বিষয় তিনি জানতেন না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত