
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে সেচ পাম্প (ইস্কিম) ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোঃ শাহাবুদ্দিন পঞ্চায়েত (৫০) বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাচড়া ০৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ শাহাবুদ্দিন পঞ্চায়েতের সঙ্গে একই এলাকার কয়েকজনের পূর্ব বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে অভিযুক্ত মোঃ মনির বাবুর্জি (৪০), মোঃ রাকিব (২৫), রাজা শাব বাবুছি (৫৫), মোঃ নান্টু বাবুছিসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জন ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে শাহাবুদ্দিনের জমির মধ্য দিয়ে স্থাপিত ইস্কিমের ড্রেন কেটে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় শাহাবুদ্দিনের ছেলে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম হয়। অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারা হয়। প্রাণভয়ে তিনি বাড়িতে আশ্রয় নেন।
পরে বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে শাহাবুদ্দিনের নাতি বিল্লাল জমিতে গেলে তার ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং হাতে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মারধরের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা শাহাবুদ্দিনের ইস্কিমে ভাঙচুর চালায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ সময় অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
জানতে চাইলে মনির বাবুর্চি জানান, আমার বাবা বেঁচে থাকতে আমাদের চাষার জমিতে আমরা পানি দিতাম, বাবা মারা যাওয়ার পর গত বছর শাহাবুদ্দিন পঞ্চায়েত দিয়েছে এখন পুনরায় চাষা আমাদেরকে পানি দেওয়ার জন্য বলছে, পানি দিয়েছি এটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে পরবর্তীতে তার নাতি এসে আমার ভাই রাকিব কে মারধর করে। তাদের অভিযোগ মিথ্যা।
সাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মোল্লা জানান, আমি বিষয়টি জেনেছি জেনে ওখানে গিয়েছি তাদের উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছি আমি সমাধানের চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত