লাখাই উপজেলার এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিরোদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন গৌরাঙ্গ রায়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায় লাখাই স্বজনগ্রাম গুপ্তহাটি সার্বজনীন পূজা
মন্দিরের পক্ষে বরাদ্দকৃত গভীর নলকূপ আত্মসাৎ করেছে লাখাই ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা গোতম কর্মকার, তার চাচা সুবোধ কর্মকার ও নিতাই
কর্মকার। স্বজন গ্রাম গুপ্তহাটি সার্বজনীন দূর্গাপূজা মন্দিরের এলাকার পূজারীদের দাবীর পক্ষে লাখাই
উপজেলা পরিষদ একটি গভীর নলকূপ বরাদ্দ দেয়।
মন্দির কমিটির অন্যতম সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা স্থানীয় প্রভাব খাটাইয়া গৌতম কর্মকার ও তার চাচাদের যোগসাজশে গভীর নলকূপ টি তার বাড়িতে বসাইয়া দেয়। এতে এলাকার ধর্মপ্রাণ হিন্দু সম্প্রদায় এবং সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লাখাই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল রাজ্জাক নিকট গুপ্ত হাটির লোকজন গেলে তিনি বলেন,২৭/০৯/২০২১ সনে স্বজনগ্রাম গুপ্তহাটি দূর্গা মন্দিরে সুধোদ কর্মকারের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয়েছে।
সুবোদ কর্মকার অর্থের বিনিময়ে গভীর নলকূপটি নিতাই কর্মকার ও গৌতম কর্মকার এর নিকট বিক্রি করে
দেয়। আর তাদের এ কাজে সহযোগীতা করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের মেকানিস পিন্টু চন্দ্র দাস। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন হওয়ার সুবাদে পুরো উপজেলায় সরকারি সব দপ্তর থেকে শুরু করে সব জায়গায় তদবির ও টেন্ডার বাণিজ্য সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করত সে।
দলের পদ পদবি পাওয়ার পর থেকে হু হু করে বাড়তে থাকে তার সম্পদের পরিমান আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে প্রভাব বিস্তার করে অন্যায় অনিয়ম ও দুর্নীতি করে অটল সম্পদের মালিক।
এ বিষয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক বরাবর অভিযোগ করেন একই গ্রামের মৃত লাল মহন রায় এর ছেলে গৌরাঙ্গ রায়। এ ব্যাপারে গোতম কর্মকারের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত