ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আকমল হোসেন অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে মিথ্যা এবং বানোয়াট অভিযোগে অভিযুক্ত করে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মাওনা জোনাল অফিসের এক কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই কর্মকর্তা ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সমিতি বোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তা আবু তৌহিদ তরফদার জানান, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন মাওনা জোনাল অফিসের একজন গ্রাহককে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের দায়ে পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ জরিমানা করে। ওই গ্রাহক পরে মাওনা জোনাল অফিসে গিয়ে জরিমানা আদায় করে।
সেই গ্রাহককে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রনদীত হয়ে আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমাকে অভিযুক্ত করে চাকুরী থেকে বহিষ্কার করে। যাহা আমার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ওই সব তদন্ত কমিটিকে প্রভাবিত করেছে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম আকমল হোসেন।
কারণ জিএম বিভিন্ন মাধ্যমে আমার নিকট অনৈতিক সুবিধা চেয়েছিল। আমি জিএমকে অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় জিএম এমনটা করেছে। ভুক্তভোগী তৌহিদ তরফদার প্রতিবেদনকে আরো জানান, আপনারা সত্যতা প্রমাণ করতে হলে যে গ্রাহককে জড়িয়ে আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে সেই গ্রাহকের সাথে কথা বললেই সব সত্য বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে অটো গ্যারেজ মালিক অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সেই গ্রাহক জানান, অবৈধ ভাবে অটো গারেজে বিদ্যুত ব্যবহারের দায়ে মাওনা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃপক্ষ আমাকে জরিমানা করে। আমি অফিসে গিয়ে জরিমানার টাকা আদায় করে আবারও বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ নিয়ে আসি। অফিসের অন্য কোন লোকের সাথে অনৈতিক কোন লেনদেন হয়নি। অনৈতিক লেনদেনের যে অভিযোগ উঠেছে সেটা মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার মো: আকমল হোসেনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলবোনা। সার্ভিস রুলস হিসেবে যে ব্যবস্থা নেয়ার সেটাই নেওয়া হয়েছে। কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে, এ বিষয়েও কোন কথা বলেননি তিনি।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত