পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরের বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় প্রতিদিন এর মত মাছ শিকারে ট্রালার নিয়ে বের হলে বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) গভীর সাগরে জাল ফেলেন জালাল মাঝি অন্য অন্য মাছের সাথে এই কোরাল মাছটি ধরা পড়ে তার জালে। শুক্রবার (০৬ ডিসেম্বর ) সকালে কুয়াকাটা মৎস্য মার্কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসেন । এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। বৃহস্পতিবার ভোর রাতের দিকে মাছটি ধরা পড়ে জালে।
কুয়াকাটার মাছ বাজারে মাছটির বাজার মূল্যে যাচাই বাছাই করে বিক্রি করেন জালাল মাঝি। মছটির ওজ ১৮ কেজি ২০০ গ্রাম ১১০০টাকা কেজি দরে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটার মৎস্য ব্যবসায়ী হাসিব ফিস্ এর মালিক মো.খলিল খান। তিনি বলেন স্থানীয় জেলেদের জালে প্রায় এইধরনের বড়ো মাছ জালে ধরা পড়ে। মাছটি স্থানীয় বাজেরে জদি বিক্রি হয় হবে নয়তো এটিকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিবো বিক্রির জন্য।
জেলে জালাল মাঝি (৩৬) বলেন, প্রতিদিনের মত গত বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ট্রলার নিয়ে গভীর সাগরে যাই। পরে বলেশ্বর নদীর সাগর মোহনায় জাল ফেলি তখন এই মাছটি জালে ধরা পড়েছে ১৮ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের এই কোরাল মাছটি ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু একটি মাছ তাই এর চাহিদা অনেক বেশি। আমি অনেক খুশি মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পারায়।
প্রতিদিনের মত মাছ কিনতে আসা অনেক ক্রেতারা বলেন, এরকম মাছ সচারাচর পাওয়া যায় না, এসব বড়ো মাছ অনেক সুস্বাদু তবে দাম বেশী হওয়ায় এসব মাছ আমাদের মত মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাহিরে। তবে এসব মাছ যদি কেটে বিক্রি করে তাহলে আমরা আমাদের সাধ্যমতে কিনতে পারবো।
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন,কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। শিশুদের মানসিক বিকাশে কোরাল মাছ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পায়রা,বিষখালী,বলেশ্বর, ও সুন্দরবনের মোহনাগুলোতে জেলেদের জালে ইলিশের পাশাপাশি এসব মাছ আরো ধরা পড়বে বলে আশা রাখি।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত