গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী মায়ের সাথে জেল হাজতে গেল ৭ মাসের দুধের শিশু সাওদা।
বাবা মা দুজনই চিহৃিত মাদক ব্যবসায়ী এবং একাধিক মাদক মামলার আসামী। গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালনো বাবাকে না পেয়ে ৫০০ গ্রাম গাজাসহ মা আছমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মাদক ব্যবসায়ী দম্পতির ঘরে ৭ মাস আগে জন্ম নেওয়া হতভাগা শিশু সাওদাকে দেখাশোনা করার মত কেউ না থাকায় মায়ের কোলে ঝুলে গ্রেফতারকৃত মার সাথে সওদাকে আসতে হয় থানায়। শুধু তাই নয় রাত্রি যাপন করতে হয় থানা গারদনামা অসহনীয় দুর্গন্ধময় কক্ষে।
শুক্রবার ৭ মাসের অবুঝ শিশু সাওদাকে আবারও মায়ের কোলে ঝুলে যেতে হয় কোর্টে সেখান থেকে আইনী প্রক্রিয়ায় ফের মায়ের কোলে ঝুলে যেতে হয় জেল হাজতে।
৭ মাস পর্বে জন্ম নেওয়া সাওদা মায়ের পেটের অন্ধকার জগত থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে মায়ের ঘরের বাইরে দেখা হয়নি এই দুনিয়া নামক জগতটাকে। এরই মধ্যে বাবা মায়ের অপকর্মের ফলে যেতে হল এই দুনিয়ার অন্ধকার জগত নামক জেল হাজতে। এ কেনম নির্মমতা।
শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ গ্রামের কালীবাড়ি এলাকার আলম এর স্ত্রী এবং ইয়াকুব আলীর মেয়ে আছমা(৩২)। সাত মাসের শিশু সাওদা আছমার মেয়ে। পুলিশ জানান, আছমা ও তার স্বামী এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। আছমা ও তার স্বামী আলমের নামে বিভিন্ন থানায় মাদক মামলা রয়েছে।
শ্রীপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) আমিনুর রহমান জানান, মাদক ব্যবসায়ী আলমকে ধরতে গেলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।পরে আলমের বসতঘর থেকে ৫০০গ্রাম গাজাসহ তার স্ত্রী আছমাকে গ্রেফতার করা হয়। আসমার ৭ মাসের শিশু দুধ পান করে এবং তাকে দেখাশোনা করার কেউ নেই বিধায় তাকে মায়ের সঙ্গে জেলে যেতে হয়েছে।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডল জানান, ওই নারীর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তাকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তার শিশু বুকের দুধ পান করে। তাই শিশু মায়ের সাথে থাকবে বলে জানান তিনি ।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত