
বঙ্গোপসাগরে অবৈধভাবে মাছ শিকারের অভিযোগে তিনটি আর্টিসানাল ট্রলিং বোটসহ ৩৭ জন জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন (মোংলা)। বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) বিকেলে আটককৃত বোট ও জেলেদের মোংলা ফেরিঘাটে নিয়ে আসা হয়। পরে তাঁদের মোংলা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আটক হওয়া বোট তিনটি হলো— এফ.বি মায়ের দোয়া-২৭, সীমা-০২ ও আসমা।
কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৪মার্চ) বিকেলে বরগুনার পাথরঘাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীরে নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ ধরছিলেন ওই জেলেরা। এ সময় কোস্টগার্ডের টহলরত জাহাজ ‘সিজিএস সোনারবাংলা’ বোট তিনটি শনাক্ত ও আটক করে। বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী, কাঠের নৌকায় ইঞ্জিন লাগিয়ে ‘আর্টিসানাল ট্রলিং’ পদ্ধতিতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের বোট সমুদ্রের তলদেশের জীববৈচিত্র্য ও রেণু পোনা ধ্বংস করে বলে এগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, আটক জেলে ও বোটগুলো বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। জব্দ করা মাছের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী মাছগুলো নিলামে বিক্রি করা হতে পারে অথবা কোনো এতিমখানায় দান করা হতে পারে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
© ২০২২ - ২০২৫ সমবানী কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত